Nature Indian Logo

The Sleepless Sentinel

বিষ্ণুদেবের বাহন, রামায়ণের ‘গরুড়’ পাখি কিন্তু ‘ঈগল’ নয়
ভারতে শ’পাঁচেক হাড়গিলের শেষ ঠিকানা অসম

শমীক গুপ্ত, নেচার ইন্ডিয়ান, কলকাতাঃ লঙ্কা কান্ড, রামায়ণ। শ্রীলঙ্কায় রাম-রাবণের মহারণ চলছে। বাকিটা রামায়ণ চলছে। রাম লক্ষ্ণণকে জব্দ করতে নাগপাশ অস্ত্র ছাড়লেন রাবণপুত্র ইন্দ্রজিৎ। রাম লক্ষণকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরল অসংখ্য বৃহদাকার সাপ (হয়ত অজগর)। সাপদের হাত থেকে নিস্তার পাচ্ছিলেন না দশরথ পুত্রদ্বয়। তখন পবন দেবতা (বাতাস) লুকিয়ে এসে শ্রী রামচন্দ্রকে মন্ত্রণা দেন, “ওহে নারায়ণ অবতার, তুমি ‘গরুড়’কে স্মরণ করো। সে তো তোমারই বাহন!” গরুড় তখন কুশ দ্বীপে (বর্তমান হংকং’য়ের কাছে) অবস্থান করছিল। সেখানে সে নাকি একটা মস্ত বড় অজগর ধরে ভোজনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। রামের বার্তা পেয়ে সে তৎক্ষণাৎ খাওয়া ফেলে কুশ দ্বীপ থেকে রওনা দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে এসে উপস্থিত হয় (শ্রীলঙ্কা)। সেখানে সে নাকি প্রচুর সাপকে খেয়ে এবং সরিয়ে রাম লক্ষণকে ‘নাগপাশ’ থেকে মুক্ত করে। ব্যর্থ হয় মেঘনাদের পরিকল্পনা!

এবার বিষয়টি একটু বিশ্লেষণ করা যাক। অনেক সাহিত্য, গাথা কিংবা পৌরাণিক চিত্রে গরুড় পাখিকে ঈগল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। অধুনা সমাজে বেশ কিছু পক্ষীবিজ্ঞানীও (অরনিথোলজিস্ট) ওই একই অভিমত পোষণ করেন। যদিও, প্রখ্যাত পক্ষীবিদ্ সেলিম আলি কিন্তু ‘ঈগল’ নয়, ‘হাড়গিলে’ পাখিকেই ‘গরুড়’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই বিষয়ে আমী তাঁর মতবাদের সঙ্গে সম্পুর্ণ একমত। রামায়ণের গরুড় হল আমাদের অতি পরিচিত হাড়গিলে পাখি বা ‘গ্রেটার এ্যাডজুটেন্ট স্টর্ক। পক্ষীবিজ্ঞানের শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী ‘সিকোনিফরমেস’ বর্গের অন্তর্গত ‘সিকোনিদি’ বংশ এবং ‘ল্যেপটপটিলস্’ গণের অন্তর্গত। এদের বৈজ্ঞানিক নাম হল ‘ল্যেপটপটিলস্ ড্যুবিয়াস’।

পপ্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, মহাকাব্যের গরুড় কিংবা আজকের হাড়গিলে এক মহাবিপন্ন পক্ষী প্রজাতি। আজ সারা বিশ্বে কেবলমাত্র কম্বোডিয়া এবং ভারতের ব্রহ্মপুত্র তীরবর্তী আসাম রাজ্যে এদের বিস্তার সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। যদিও সম্প্রতি বিহার রাজ্যের গঙ্গা-কোশি অববাহিকায় নাকি সামান্য সংখ্যায় হাড়গিলের সন্ধান পাওয়া গেছে। সে যাইহোক। ভারতের কথা য় পরে আসছি।

লেখার শুরুতেই বলেছি শ্রী রামচন্দ্র যখন গরুড়ের শরণাপন্ন হন, তখন সে নাকি হংকং-এর কাছে কুশ দ্বীপে অবস্থান করছিল। এদিকে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে কম্বোডিয়াতে আজও এদের অস্তিত্ব আছে। সেই দিক থেকে দেখলে, কম্বোডিয়া থেকে কুশ দ্বীপের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থান করছে কম্বোডিয়া। দূরত্ব বিচারে শ্রীলঙ্কা থেকে কুশ দ্বীপের দূরত্ব আনুমানিক ২৫০০ কিমি। আর কম্বোডিয়া থেকে শ্রীলঙ্কার দূরত্ব ১০০০ কিমি’র আশপাশে হবে। অতএব মহাকাব্যের গরুড় পাখির সঙ্গে আজকের হাড়গিলেদের একটা বিজ্ঞানভিত্তিক এবং বাস্তবধর্মী সূত্র পাওয়া যাচ্ছে। সুদূর হিমালয় থেকে ঈগল পাখি শ্রীলঙ্কায় উড়ে এসে (গরুড় রূপে) কিভাবে যে রাম লক্ষণকে রক্ষা করবে, তার স্বপক্ষে কোন গ্রহণযোগ্য যুক্তি আমি অন্তত খুঁজে পাইনি!

দ্বিতীয়ত, যতদূর জেনেছি, রাম-লক্ষণকে কোন সাপ কিন্তু ছোবল মারেনি। বরং তাঁদের জড়িয়ে ধরেছিল। অর্থাৎ বিষধর নয়, বরং দীর্ঘদেহী নির্বিষ সাপরাই দশরথ পুত্রদ্বয়কে আক্রমণ করেছিল। আমার জ্ঞান-গম্যি যতটুকু, তাতে করে ভারত এবং শ্রীলঙ্কা-এই দুই দেশ মিলিয়ে নির্বিষ দীর্ঘতম সর্প-প্রজাতি হল অজগর। এখন প্রশ্ন হল, একটি অজগর সাপকে গলদ্ধকরণ করতে পারে, এমন কোন ঈগল বর্গীয় (ফ্যালকনিফর্মেস) পক্ষী প্রজাতি কি পৃথিবীতে আদেও ছিল? আর যদি বা থাকে, তাহলে অধুনা বিশ্বে তাদের বংশধরই বা কারা? যতদূর জানা আছে, সারা পৃথিবীতে ঈগলদের মোট ৩৭টি প্রজাতি আছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রজাতিটি হল ‘জার-ফ্যালকন’, বৈজ্ঞানিক নাম-ফ্যালকনি রাস্টিকোরাস। দৈর্ঘ্যে এরা বড়জোর ফুট দু’য়েক হয় এবং দৈহিক ওজন মাত্র ১২০০-১৪০০ গ্রাম। পক্ষীবিজ্ঞানী, যাঁরা ‘গরুড়’ পাখিকে ঈগল বলে চিহ্নিত করেছেন, তাঁদের কাছে আমার বিনীত প্রশ্ন, অতটুকু একটা পাখি কি একটি ২০-২৫ ফুটের অজগর সাপকে বাগে আনতে পারে? যদি না হয়, তাহলে রামায়ণের ‘গরুড়’ যে ‘ঈগল’ পাখি ছিল-সেই চিন্তার উৎস কি?

তৃতীয়ত, ‘ঈগল’ বর্গীয় প্রজাতির খাবার সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেই কারণেই এদের শিকারি পাখি বলা হয়। এরা উড়ন্ত অবস্থায় নিচে নেমে ছোঁ মেরে শিকার ধরে নিয়ে যায় এবং এই কাজে তাদের প্রধান সহায়ক হল পা এবং নখ, ঠোঁট নয়। পরে কোন উঁচু জায়গায় বসে মৃত শিকারের হাড়-মাংস খুবলে খায়। হ্যাঁ, একথা ঠিক যে ঈগল পাখি সুযোগ পেলেই সাপ ধরে খায়। তবে তা নেহাতই ছোট মাপের সাপ। যাকে সহজেই উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু, প্রমাণ মাপের অজগর সাপকে কিভাবে উড়িয়ে নিয়ে যাবে তারা? এমন কোন ঈগল প্রজাতীয় পাখি পৃথিবীতে ছিল, এই যুক্তি মেনে নেওয়া কঠিন। সুতরাং, রামায়ণ নির্দেশিত ‘গরুড়’ পাখি যে আজকের হাড়গিলে, সেই বিষয় বড় একটা সন্দেহের অবকাশ নেই। যাইহোক, বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে আরও পর্যালোচনা করতে পারেন। এখানে আমার বিষয় হল, ‘গ্রেটার এ্যাডজুটেন্ট স্টর্ক বা বিলুপ্ত প্রায় হাড়গিলে। এবার তাদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা এগোন যাক।

‘বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনাল’ ২০০১ সালে যে অনুসন্ধান রিপোর্ট দিয়েছিল, তাতে করে দেখা যাচ্ছে, বিগত শতাব্দির প্রথমভাগে সমগ্র দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে হাড়গিলে পাখিদের বিস্তার ছিল। অতঃপর তা কমতে কমতে অসম রাজ্যের কয়েকটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং কম্বোডিয়ার ‘কুলেন প্রমটেপ’ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে সীমাবদ্ধ হয়েছে। যদিও ২০০৪ সালে বিহারের গ্নগা-কোশি প্লাবনভূমিতে সাকল্যে ১০০-১৫০ হাড়গিলের সন্ধান পাওয়া গেছে। এরপর ২০০৭ সালে তা কমে মাত্র ৭৮-এ নেমে যায়। যদিও বর্তমানে (২০১১ সালে) তা নাকি বেড়ে ৩০০ হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এছাড়া নেপাল, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড এবং মায়ানমার থেকে এরা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

ভারতের অসম রাজ্যেও এই হাড়গিলেদের প্রজনন সার্থকতার হার অস্বাভাবিক হারে কমে আসছে! প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, এই মুহূর্তে সারা পৃথিবীতে আর মাত্র ১০০০-১৫০০ হাড়গিলে পাখি অবলুপ্তির অপেক্ষায় দিন গুনছে। যার মধ্যে অসমের সংখ্যা ৬৫০-৮০০। তাছাড়া বিহারে আনুমানিক ২০০ এবং অবশিষ্ট অংশ কম্বোডিয়ায় রয়েছে। কিন্তু আরও জানা যাচ্ছে যে, এই মুহূর্তে কম্বোডিয়ায় হাড়গিলের সংখ্যা ১৫০-২০০ এর বেশি নয়। অতঃপর, এই হাড়গিলেদের সংরক্ষণের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কম্বোডিয়া সরকার। যারা এতকাল ধরে হাড়গিলে শিকার করে এসেছে বা তাদের ডিম চুরি করেছে, সেই সমস্ত মানুষকে খুঁজে বার করে হাড়গিলে রক্ষার কাজে লাগানো হয়েছে। সরকারি চাকরি পাওয়ার লোভে তারাও এখন দিবা-রাত্রি জেগে নিজেদের সন্তানের মত তাদের রক্ষা করে চলেছে। এটা নিঃসন্দেহে একটা সদর্থক দিক। সেখানকার ‘টনলে স্যাপ’ অঞ্চলের ‘প্রিক-ট্যেল’ এবং প্রিভেয়র অঞ্চলের ‘ক্যুলেন প্রমটেক’ বনক্ষেত্রে জোরদারভাবে হাড়গিলে সংরক্ষণের কাজ চলছে।

অসমের কাজিরাঙ্গা, মানস এবং ডিব্রু-সাইকোয়া জাতীয় উদ্যানে ১৯৯১ সালে এই জাতীয় কাজ শুরু হয়েছিল। সেখানকার নওগাঁ জেলাতে ‘গ্রিন-গার্ড’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই কাজ শুরু করেছিল। যদিও পরবর্তী সময়ে সরকারি ঔদাসিন্যে তারা এই কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। ফলত বর্তমানে সেখানে হাড়গিলে শিকার এবং তাদের ডিম চুরির ঘটনা বেড়ে চলেছে! যা কিনা এদের বিলুপ্তির অন্যতম কারণ। তবে একমাত্র কারণ নয়।

বলতে গেলে ভারতীয় পাখিদের মধ্যে বৃহত্তম প্রজাতি হল হাড়গিলে। উচ্চতায় ৫ ফুট এবং ডানা মেলা অবস্থায় এদের প্রস্থ দাঁড়ায় ৮ ফুটেরও বেশি। ভারতে একসময় এরা মূলত গঙ্গা অববাহিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বিস্তার লাভ করেছিল। এমনকি শহরাঞ্চলেও। এদের গলার নিচে একটা বড় থলির মত অংশ থাকে, যা কিনা বেশ দীর্ঘ। শোনা যায় মরা গবাদি পশুর আস্ত হাড় পর্যন্ত এরা গিলে ফেলে এবং ওই থলিতে সঞ্চয় করে রাখে। খুব সম্ভবত, হাড় গিলে খাওয়ার কারণে এদের হাড়গিলে নামকরণ হয়েছে। শকুনদের মত এরাও উচ্ছিষ্টভোজী পাখি। বিশাল ডানা দুটি ছাড়িয়ে এরা হয়ত দেহের তাপমাত্রা নিঃসরণ করে।

হাড়গিলে খুব একটা দলবদ্ধ প্রজাতি নয়। এককভাবে, জোড়ায় কিংবা খুব ছোট ছোট দলে এদের বসবাস করতে দেখা যায়। তবে উচ্ছিষ্ট খাওয়ার সময় এরা একত্রিত হয়ে নিচে নেমে আসে। এদের প্রজননকাল হল জুন-জুলাই থেকে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি। তবে ভারতে সাধারণত শীতকালেই এদের প্রজননে লিপ্ত হতে দেখা যায়।

সমস্যা শুরু হয় এর পর থেকেই। এদের দৈহিক আকৃতি খুব বড় হওয়ার জন্য এরা গাছের খুব একটা নিচের দিকে নামতে পারে না। যদি বা কোনক্রমে নামে, তাহলে ওড়ার সময় গাছের ডালপালা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সেই কারণে, এরা গাছের একদম মাথার দিকে বাসা বানায়। অসমের নওগাঁওতে মূলত ছাতিম এবং কদম গাছকেই এদের বেছে নিতে দেখা যায়। এখন সমস্যাটা হল, এই ধরনের বড় গাছ প্রকৃতি থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। স্বাভাবিক কারণেই গাছের একদম ডগার দিকে ডালগুলো অপেক্ষাকৃত সরু এবং নরম হয়। ফলে অত ভারি ভারি পাখিদের বহন করার ক্ষমতা সেই সমস্ত ডালের থাকে না। তার ওপর ডিম পাড়ার আগে কোন একটি গাছে পছন্দমত জায়গা নিয়ে এদের মধ্যে রীতিমত লড়াই হয়। তাতে করে ওই সমস্ত সরু সরু ডালগুলো হয় ভেঙে যায় অথবা কমজোরি হয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে মা-বাবার সঙ্গে শাবকদের ওজন যোগ হয়। তখন ওইসব কমজোরি ডালগুলোর বেশিরভাগই ভেঙে পড়ে।

এছাড়াও, হাড়গিলে স্ত্রী-পুরুষ পর্যায়ক্রমে প্রায় দু’মাস ধরে ডিমে তা দিতে থাকে। সুতরাং অত দিন ধরে অতটা ওজন বেশিরভাগ ডালই বহন করতে পারে না। এইসব নানান কারণে হাড়গিলেদের প্রচুর ডিম মাটিতে পড়ে নষ্ট হয়। মারা পড়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক শাবক। সুতরাং এদের নির্দিষ্ট বাসভূমিগুলোতে প্রচুর সংখ্যায় বড় বড় গাছ না থাকার দরুন হাড়গিলেদের বংশবিস্তারের হার কমে যাচ্ছে। যা তাদের বিপন্নতার অন্যতম প্রধান কারণ।

ওই সমস্ত অঞ্চলে ওদের জন্য কৃত্রিম বাসা বানিয়ে দিয়ে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে। তাতে করে হয়ত হাতেনাতে ফল পাওয়া যাবে। কিন্তু, পাখিদের জন্য সরকারি চিন্তাভাবনা সেই স্তরে গিয়ে পৌঁছবে বলে মনে হ্য় না। বিশেষ করে ভারতের মত এই সুবিশাল এবং সমস্যাবহুল একটি রাষ্ট্রে।

এমতাবস্থায় মহাকাব্যের ‘গরুড়’ পাখিদের যদি প্রকৃতির বুকে সত্যি টিকিয়ে রাখতে হয়, তাহলে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা ধরে এবং যথার্থ স্থান নির্বাচন করে ওদের জন্য কৃত্রিম বাসার বন্দোবস্ত করা ছাড়া গতি নেই। প্রাথমিকভাবে ওরা সেই বাসাকে প্রত্যাখ্যান করলেও ধৈর্য ধরতে হবে। ওদের মেনে নেওয়ার, মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময় দিতে হবে। দু-তিন বছরের মধ্যেই অবশ্যম্ভাবিভাবেই ফল পাওয়া যাবে। সুতরাং যে ভাবেই হোক না কেন, এ ধর্মসিদ্ধ গরুড় পাখিদের প্রকৃতির বুকে টিকিয়ে রাখতে হবে। নাহলে যে বড় অধর্ম হবে! ব্রহ্মাহ্নের সৃষ্টিকর্তা নারায়ণ বা বিষ্ণুদেবকে কি উত্তর দেবে মানুষ?